বিদ্যুৎ বিল বেশি আসার কারন - বিদ্যুৎ বিল কমানোর উপায়

আজকের আলোচ্য বিষয় হচ্ছে বিদ্যুৎ বিল বেশি আসার কারন - বিদ্যুৎ বিল কমানোর উপায় সম্পর্কে। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে বিদ্যুৎ ছাড়া একটা দিনও কল্পনা করা যায় না। বাড়িতে হোক কিংবা বাইরে জীবনের সব ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ এর উপকারিতা রয়েছে। জীবনের গুরত্বপূর্ন ব্যবহারিক জিনিসগুলো যেমন- ফোন, ফ্রিজ, টিভি, ফ্যান, বাল্ব, কম্পিউটার, ওয়াশিং মেশিন ইত্যাদি বিদ্যুৎ ছাড়া আমরা কল্পনা করতে পারি না। একদিন বিদ্যুৎ  না থাকলে বোঝা যায় বিদ্যুৎ এর উপকার ঠিক কতটা। বিদ্যুৎ এর এত উপকার থাকা সত্তেও মাসের শেষে বিদ্যুৎ এর কাগজ দেখে আমাদের মাথা ঘুরে যায়। বিদ্যুৎ শুধু ব্যবহার করলেই হবে না এর মূল্য ও আমাদের দিতে হয়। তবে একটু সাবধানতা অবলম্বন করলে বিদ্যুৎ বিল কম আসবে।

বিদ্যুৎ বিল বেশি আসার কারন

সাধরনত বিদ্যুৎ আমরা যেরকম ব্যবহার করবো সে আনুযায়ী আমাদের বিদ্যুৎ বিল দিতে হয়। তবে বিভিন্ন কারনে বিদ্যুৎ বিল বেশি আসতে পারে। কেন বিদ্যুৎ বিল বেশি আসে এবং কিভাবে বিদ্যুৎ বিল কমানো যায় এ উপায়গুলো আমাদের জানা থাকলে বিদ্যুৎ বিল কম আসবে। তাই যারা জানতে চান বিদ্যুৎ বিল কেন বেশি আসে, বিদ্যুৎ বিল কমানোর উপায় কি। তারা আজকের আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়বেন। আজকের আর্টিকেলে আমরা তুলে ধরেছি বিদ্যুৎ বিল বেশি আসার কারন এবং বিদ্যুৎ বিল কমানেরা উপায় সম্পর্কে।

বিদ্যুৎ বিল কমানোর উপায়

বিদ্যুৎ আমরা প্রায় কাজে ব্যবহার করে থাকছি। শীতকালের তুলনায় গরমে বিদ্যুৎ এর ব্যবহার বেশি হয়ে থাকে।  বর্তমানে বিদ্যুৎ ছাড়া চলা খুবই কঠিন। তবে বিদ্যুৎ শুধু ব্যবহার করলেই হবে না এর জন্য আমাদের মাসের শেষে মূল্য ও দিতে হয়। সঠিক নিয়মে বিদ্যুৎ ব্যবহার না করলে,  এর জন্য আমাদের বিলের পরিমান বেশি লাগে। তাই আমরা যদি একটু সচেতনতার সাথে বিদ্যুৎ ব্যবহার করি, তাহলে বিদ্যুৎ খরচ আমাদের কম হবে এবং মাস শেষে বিদ্যুৎ বিল কম আসবে। এমন কিছু কৌশল আছে যেগুলো আমরা মেনে চললে আমাদের বিদ্যুৎ বিল সহজেই কমিয়ে আনতে পারবো। কি সেই কৌশল চলুন তাহলে আমরা জেনে নিই।

  • অকারনে অযথায় সুইচ অন করে রাখবেন না, প্রয়োজন শেষ হওয়ার সাথে সাথে সুইচ বন্ধ রাখুন। কম্পিউটার, টিভি, ফ্যান, বাতি বা অন্য কিছু ব্যবহার শেষে মনে করে সুইচ বন্ধ করে দিবেন। তাহলে বিদ্যুৎ বিল অনেকটায় কম আসবে।
  • বিদ্যুৎ এর বিল অনেকসময় তারের ওপর নির্ভর করে, তাই মানসম্মত তার ব্যবহার করতে হবে।
  • অনেক সময় মিটারে কোনো ত্রুটি থাকলে, বিদ্যুৎ বিল বেশি আসতে পারে। তাই গত মাসের ইউনিটের সাথে নতুন মাসের ইউনিট দেখে নিন। তাহলে বুঝতে পারবেন মিটারে কোনো সমস্যা আছে কিনা। 
  • বিদ্যুৎ বিল কমাতে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতিগুলো আপনি সবসময় ব্যবহার করার চেষ্টা করবেন। এনার্জি বা এলিডি বাতি গুলো ব্যবহার করলে বিল অন্যান্য বাতির তুলনায় কম আসে। 
  • প্রচন্ড গরমে এসির ব্যবহার এখন প্রায় পরিবারে দেখা যাচ্ছে। এসির তাপমাত্রা সঠিক নিয়মে রাখলে বিদ্যুৎ বিল কম আসে। এসির তাপমাত্রা ২৬ ডিগ্রি রাখতে হবে, তাছারা বিল কমাতে এসি কিছুক্ষন ব্যবহার করার পর ফ্যান চালাতে পারেন।
  • ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতিগুলো সাবধানে ব্যবহার করবেন। ফ্রিজ, এসি, ওয়াশিং মেশিন সঠিকভাবে ব্যবহার করলে বিদ্যুৎ বিল কম আসবে।
  • ঘরের মধ্যে প্রাকৃতিক বাতাসের ব্যবস্থা করুন, এমন ঘরে থাকার চেষ্টা করুন যাতে সেখানে বাইরের পরিবেশ থেকে বাতাস ঢুকতে পারে।
  • বৈদ্যুতিক সরঞ্জামগুলো  ভালো ভাবে সংরক্ষন করুন, বেশিদিন হয়ে গেলে সার্ভেসিং করান।

উপরের নিয়মগুলো ফলো করে চলবেন, আশা করি আগের তুলনায় আপনার বিদ্যুৎ অপচয় কম হবে এবং বিদ্যুৎ বিল কম আসবে।

বিদ্যুৎ বিল বেশি আসার কারন

অতিরিক্ত গরমে আমাদের জীবনে স্বস্তি এনে দিচ্ছে বিদ্যুৎ। বিদ্যুৎ আমাদের প্রতিদিনের ব্যবহৃত জিনিস। বিদ্যুৎ আমরা যারা ব্যবহার করে থাকি তাদের সবার মাস শেষে বিদ্যুৎ বিল দিতে হয়। তবে অনেক সময় দেখা যায়, যে হিসাবে প্রত্যেক মাসে  বিল আসার কথা সে অনুযায়ী এ মাসে বিল আসে নি। তা দেখে আমরা চিন্তায় পড়ে যায়, ভাবতে থাকি কেন এ মাসে বিল বেশি আসল। তবে চিন্তার কিছু নয় বিভিন্ন কারনে বিদ্যুৎ বিল বেশি আসে সে বিষয়গুলো আমাদের জানতে হবে। কি কারনে বিদ্যুৎ বিল বেশি আসে সে কারনগুলো জেনে যদি আমরা পদক্ষেপ গ্রহন করে থাকি, তাহলে অবশ্যই বিদ্যুৎ বিল কম আসবে। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক বিদ্যুৎ বিল বেশি আসার কারনগুলো কি।

  • বিদ্যুৎ চালাতে আমরা যে তারগুলো ব্যবহার করে  থাকি, সে তার গুলো যদি খারাপ মানের হয় তাহলে বিদ্যুৎ বিল বেশি আসে। খারাপ মানের তার ব্যবহার করলে বিদ্যুৎ এর ভোল্টেজ উঠা নামা হতে থাকে ফলে বিদ্যুৎ বিল বেশি আসে।
  • আমাদের বাসাবাড়িতে প্রতিদিন যে যন্ত্রপাতিগুলো আমরা ব্যবহার করে থাকি। সে যন্ত্রপাতি গুলো যদি খারাপ অর্থ্যাৎ নিম্নমানের হয়, তাহলে বিদ্যুৎ বিল বেশি আসে।
  • মিটারের যান্ত্রিক ত্রুটির কারনে অনেক সময় বিদ্যুৎ বিল বেশি আসে।
  • অনেক সময় গরমের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে দ্বিগুন বেড়ে যায়, তখন সে সময় আমাদের বিদ্যুৎ এর ব্যবহারও বেড়ে যায়। যার কারনে বিদ্যুৎ বিল বেশি  আসে।
  • বিদ্যুৎ এর ব্যবহার সঠিক ভাবে না করলে প্রয়োজন ছাড়াও অপচয় বিদ্যুৎ ব্যবহার করলে বিদ্যুৎ বিল বেশি আসে।
  • সুইচ, রেগুলেটর, সকেট বিদ্যুৎ এর সাথে কানেকশন করার সময় যদি আমরা কানেকশন লুস হয় তাহলে বিদ্যুৎ বিল বেশি আসবে।
  • অনেক সময় বিদ্যুৎ বিল যারা লিখতে আসে, তাদের অসাবধানতার কারনে অনেক সময় বিল বেশি আসতে আসতে পারে। সেক্ষেত্রে আপনি বর্তমান বিলের কাগজের সাথে পূর্বের বিলের কাগজে ইউনিট হিসাব করে দেখে নিবেন।

বিদ্যুৎ বিল বেশি আসার বিভিন্ন কারন আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। বিদ্যুৎ বিল কমাতে উপরের কারনগুলো মাথায় রেখে কাজ করবেন, সঠিক নিয়মে প্রয়োজন ছাড়া বিদ্যুৎ অপচয় করবেন না এবং মিটারের কোনো সমস্যা দেখা দিলে বিদ্যুৎ অফিসে দরখাস্ত করবেন।

আরো পড়ুন: ঘর থেকে ইঁদুর তাড়ানোর উপায় - ইঁদুর মারার বিষের নাম

বিদ্যুৎ বিল কত টাকা ইউনিট

বর্তমানে বিদ্যুৎ এখন আমাদের মৌলিক চাহিদার মধ্যে পড়ে যাচ্ছে। বিদ্যুৎ ছাড়া এক মূহুর্ত্য যেন চলতেই চাইনা। বিদ্যুৎ এর চাহিদা বর্তমানে আগের তুলনা ব্যপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিদ্যুৎ এর চাহিদার সাথে সাথে ইউনিটের দামও এখন বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ বিল কত টাকা হচ্ছে সেটা ইউনিট দেখে হিসাব করা হয়। কত ইউনিটে কত টাকা বিদ্যুৎ বিল আসে অর্থ্যাৎ বিদ্যুৎ বিল কত টাকা ইউনিট তার সঠিক হিসাব যদি আমাদের জানা থাকে। তাহলে বাড়িতে বসেই আমরা বিদ্যুৎ বিলের হিসাব করে নিতে পারবো। অনেকেই বিদ্যুৎ বিলের কত টাকা ইউনিট হয়েছে সঠিকভাবে জানেন না। এক নজরে তাহলে দেখে নিন বর্তমানে বিদ্যুৎ বিল কত টাকা ইউনিট হয়েছে-

  • ০ থেকে ৫০ ইউনিট এর জন্য নির্ধারন করা হয়েছে ৪.৬৩ টাকা
  • ০ থেকে ৭৫ ইউনিট এর জন্য নির্ধারন করা হয়েছে ৫.২৬ টাকা 
  • ৭৬ থেকে ২০০ ইউনিট এর জন্য নির্ধারন করা হয়েছে ৭.২০ টাকা
  • ২০১ থেকে ৩০০ ইউনিট এর জন্য নির্ধারন করা হয়েছে ৭.৫৯ টাকা
  • ৩০১ থেকে ৪০০ ইউনিট এর জন্য নির্ধারন করা হয়েছে ৮.০২ টাকা
  • ৪০১ থেকে ৬০০ ইউনিট এর জন্য নির্ধারন করা হয়েছে ১২.৬৭ টাকা
  • ৬০০ ইউনিটের উর্ধ্বে হলে নির্ধারন করা হয়েছে ১৪.৬১ টাকা
  • কৃষি সেচের জন্য ইউনিট প্রতি নির্ধারিত হয়েছে ৫.২৫ টাকা
  • বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালের জন্য নির্ধারিত হয়েছে ৭.৭৫ টাকা
  • রাস্তার বাতি, পানির পাম্প এর জন্য নির্ধারিত হয়েছে ৯.৭১ টাকা
  • ক্ষুদ্র শিল্পের ক্ষেত্রে নির্ধারিত হয়েছে ১০.৭৬ টাকা
  • শিল্প ক্ষেত্রে নির্ধারিত হয়েছে ১০.৮৮ টাকা
  • ব্যাটারি চাজিং স্টেশন এর জন্য নির্ধারিত হয়েছে ৯.৬২ টাকা 
  • বানিজ্যিক ও অফিসের ক্ষেত্রে নির্ধারিত হয়েছে ১৩.০১ টাকা

বিদ্যুৎ বিল হিসাব করার নিয়ম

বিদ্যুৎ বিল নিয়ে প্রায় আমরা চিন্তিত থাকি, যদি কোনো মাসে বিদ্যুৎ বিল বেশি আসে তাহলে চিন্তা আরও বেড়ে যায়। জানতে ইচ্ছে হয় বিদ্যুৎ বিলের হিসাব কিভাবে করা হয়। প্রতিদিন আমরা কি পরিমান বিদ্যুৎ ব্যবহার করছি সেটা আমরা বাড়িতেই খুব সহজেই বের করতে পারবো। তবে এর জন্য আমাদের সঠিক নিয়ম জানতে হবে এবং একটু পরিশ্রম করতে হবে। বিদ্যুৎ বিল হিসাব করার নিয়ম যদি আমাদের জানা থাকে তাহলে আমরা বের করতে পারবো দৈনিক এবং প্রতি মাসে আমাদের বিদ্যুৎ কত টাকার ব্যবহৃত হচ্ছে। 

বিদ্যুৎ বিল হিসাব করার পদ্ধতি

মনে করি, একটি ফ্যান আমরা ব্যবহার করছি যার ওয়াট ৬০ এবং ফ্যান টি দিনে ৪ ঘন্টা চলে । এখন বের করবো ব্যবহৃত ফ্যানটিতে কত টাকা বিদ্যুৎ বিল আসে। বিদ্যুৎ খরচকে এনার্জি খরচ বলা হয় এবং এনার্জিকে E দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

সূত্র : E =  p*t  (p হলো পাওয়ার = = 60w, t  হলো সময় = 4h)

= 60w*4h

=240wh

এখন wh কে kwh এ প্রকাশ করার জন্য 1000 দিয়ে ভাগ করতে হবে এবং এই kwh টি হলো ইউনিট।

 240wh/1000 = 0.24kwh  বা unit

এটি একদিনের ইউনিটের হিসাব বের হলো। এখন আপনি যদি এটা মাসের হিসাব করতে যান সেক্ষেত্রে ০.২৪ কে ৩০ দিয়ে গুন করতে হবে, গুন করে ৭.২ পাবেন। এরপর আপনি কত ইউনিটের জন্য কত টাকা নির্ধারন করা হয়েছে সেটা জেনে ব্যবহৃত ইউনিটের সাথে গুন করবেন। এছারাও এর সাথে মিনিমাম চার্জ, সার্ভিস চার্জ, ডিমান্ড চার্জ, ভ্যাট এসব বিষয়গুলো যোগ করলে বিল কত টাকা পেয়ে যাবেন।

এখানে আমি শুধু ফ্যানের হিসাবে বের করেছি। আপনি যদি অন্যান্য ব্যবহৃত জিনিসগুলো একসাথে হিসাব করতে চান, তাহলে সবগুলো আলাদা আলাদা করে ইউনিটে প্রকাশ করে সেগুলো একসাথে যোগ করবেন , এরপর একমাসের হিসাব বের করার জন্য ৩০ দিয়ে গুন করবেন। এরপর একইভাবে কত ইউনিটের জন্য কতটাকা নির্ধারন করা হয়েছে সঠিক জেনে গুন করে বাকিগুলোর সাথে যোগ করলে, অনান্য  ব্যবহৃত জিনিসগুলোর হিসাব একসাথে পেয়ে যাবেন ।

বিদ্যুৎ বিল কমানোর উপায়

বিদ্যুৎ বিল বেশি আসার জন্য দরখাস্ত

অনেক সময় বিভিন্ন কারনে আমাদের বিলের পরিমান বেশি আসে। বিদ্যুৎ এর ব্যবহার কম করলেও অনেক সময় বিল ৩ গুন পর্যন্ত বেশি চলে আসে। এর জন্য আপনি বিদ্যুৎ অফিসে দরখাস্ত লিখতে পারেন। তবে দরখাসন্ত লিখার কিছু নিয়ম আছে যেগুলো আমাদের জানতে হবে। চলুন  একটি দরখাস্ত লিখে আপনাদের জানিয়ে দেওয়া যাক দরখাস্ত কিভাবে লিখতে হবে।

বিদ্যুৎ বিল বেশি আসার জন্য দরখাস্ত নমুনা:

মাননীয়

স্টেশন ম্যানেজার

(ইলেকট্রনিক অফিসের নাম)

(ঠিকানা)

বিষয়: বিদ্যুৎ বিল বেশি আসার জন্য আবেদন।

মহাশয়,

আমার বিনীত নিবেদন এই জানবেন যে, পূর্ববতী মাসের ইলেকট্রনিক বিলের তুলনায় এ মাসের বিলের পরিমান অনেক বেশি এসেছে। এ বিলের কাগজে যে টাকা ধার্য করা হয়েছে তা আমি সাধারনত নিয়মিত যা পেয়ে থাকি তার থেকে অনেক বেশি। অথচ আমি আগের মতই বিদ্যুৎ ব্যবহার করেছি।

অতএব আপনার কাছে একান্ত অনুরোধ এই বিষয়টি সহানুভূতির সাথে বিবেচনা করে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহন করে আমায় বাধিত করবেন।

তারিখ-                                                                                  

আপনার বিশ্বস্ত

আবেদনকারীর নাম

ঠিকান-

মোবাইল নং-

আবেদন পত্রের সাথে পূর্ববতী এবং বর্তমান বিদ্যুৎ বিলের কাগজ এবং আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি জমা দিবেন। বিল বেশি আসলে উপরের নিয়মটি ফলো করে দরখাস্ত লিখবেন। আশা করি দ্রুত আপনার বিল নিয়ে সমস্যার সমাধান হবে।

আরো পড়ুন: ফোন কেনার আগে যা জানা দরকার - ভালো মোবাইল চেনার উপায়

লেখকের শেষ বক্তব্য

বিদ্যুৎ বিল বেশি আসার কারন - বিদ্যুৎ বিল কমানোর উপায় সম্পর্কে আজকের এই ব্লগে সকল তথ্য তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। আশা করি বিদ্যুৎ বিল বেশি আসার কারন - বিদ্যুৎ বিল কমানোর উপায় সম্পর্কে আপনি বিস্তারিত জানতে পেরেছেন।

এতক্ষণ আমাদের সঙ্গে থাকার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। যদি আপনি এই ধরনের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ব্লগ পোস্ট নিয়মিত পড়তে চান তাহলে আপনাকে প্রতিনিয়ত আমাদের এই ওয়েবসাইট ফলো করতে হবে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন