সাইবার অপরাধ কিভাবে সংঘটিত হয় - সাইবার অপরাধের নাম

বর্তমান সময়ে আলোচিত একটি অপরাধের নাম হলো সাইবার। সাইবার হলো ইন্টারনেট বা ইন্টারনেট জনিত যেকোনো ধরনের কার্যকলাপ আর ক্রাইম মানে অপরাধ আমাদের সবার জানা। অর্থ্যাৎ ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংঘটিত সকল ধরনের অপরাধ হলোা সাইবার অপরাধ। আমরা কম বেশি সবাই এখন ইন্টারনেট ব্যবহার করি, তাই বর্তমান ইন্টারনেটের যুগে আমাদের সবার জানতে হবে কিভাবে এই সাইবার নামক অপরাধ সংঘটিত হয়, কি কারনেই বা সংঘটিত হয় এবং কিভাবে এ অপরাধ প্রতিরোধ করা যায়। এসব গুরুত্বপূর্ন বিষয় নিয়েই আজকের আর্টিকেলে আমরা কথা বলবো। তাই বিষয়গুলো সম্পূর্নভাবে জানতে আজকের আর্টিকেলটি পড়ুন।

সাইবার অপরাধ কিভাবে সংঘটিত হয়

সাইবার অপরাধ কিভাবে সংঘটিত হয়

বর্তমানে আধুনিক যুগে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে গুরুত্বপূর্ন প্রভাব ফেলেছে ইন্টারনেট। পড়াশোনা, আর্থিক লেনদেন, বাড়ির ও অফিসের কাজ এবং যোগাযোগ মাধ্যমকে আরও সহজ করে দিয়েছে ইন্টারনেট। আমরা বিভিন্ন কাজে ইন্টারনেটের সাথে জড়িত, প্রতিদিনই আমরা ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকি। তবে ইন্টারনেটের যেমন উপকার রয়েছে তেমনি রয়েছে কিছু ক্ষতিকর দিক। কিছু অসাধু মানুষ ইন্টারনেটের অপব্যবহারে জনজীবনকে বিপদে ফেলে দিচ্ছে। ইন্টানেটের মাধ্যমে তারা বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজ করছে যার নাম দেওয়া হয়েছে সাইবার অপরাধ। ইন্টারনেটের মাধ্যমেই এ অপরাধ হয়ে থাকে। কম্পিউটার , মোবাইল ফোন, বিভিন্ন ইন্টারনেট প্রযুক্তি যেগুলোর সাথে নেটওয়ার্ক যুক্ত থাকে সেগুলোর মাধ্যমে এ অপরাধ বিভিন্ন ভাবে ঘটে থাকে। কেউ কেউ ইচ্ছাকৃত ভাবে এ অপরাধ করছে আবার অনেকেই এ অপরাধের সাথে অনিচ্ছাকৃত ভাবে জড়িয়ে পড়ছে। তাই আমাদের ইন্টারনেট ব্যবহারে অব্যশ্যই সতর্ক থাকতে হবে।

বর্তমানে যুগে মোবাইল ফোন, কম্পিউটারের ব্যবহার যে হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে, সে হারে বাড়ছে সাইবার অপরাধির সংখ্যা। এসব অপরাধ জনজীবনকে হয়রানি ও প্রতারনার মুখে ফেলে দিচ্ছে। সাইবার অপরাধের শিকারের তালিকায় নারীরা বেশি রয়েছে। ফেইসবুক বা কোনো সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে কাউকে নিয়ে মানহানি বা বিভ্রান্তিমূলক পোস্ট করে, ছবি বা ভিডিও আপলোড করে, কারও ব্যাক্তগত তথ্য প্রাকাশ করে, কারোও নামে একাউন্ট খুলে মিথ্যা বিভ্রান্তি মূলক পোস্ট করার মাধ্যমে সাইবার অপরাধ সংঘটিত করে থাকছে। এছারাও কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ব্যবহার করে অন্য কারও তথ্য চুরি করা, কারও ফেইসবুক আইডিতে ঢুকে অনুমতি ছাড়া তথ্য নষ্ট করা, ঠকিয়ে টাকা আদায় করেও সাইবার অপরাধমুলক কাজ করে থাকছে। কারও ফেইসবুক একাউন্ট হ্যাক করা থেকে শুরু করে, সরকারি ওয়েবসাইট কিংবা ডিজিটাল অবকাঠামোতে আক্রমন করে সাইবার অপরাধিরা ক্ষতিসাধন চালাচ্ছে।

প্রযুক্তির ব্যপক অগ্রগতির ফলে হ্যাকাররা কম্পিউটার ভিত্তিক এমন সব পদ্ধতি আবিষ্কার করছে, যার কারনে একজায়গাতে তারা অবস্থান করেও পৃথিবীর সব জায়গায় হামলা চালাচ্ছে। সাইবার হামলার ধরনের মধ্যে রয়েছে ফিসিং, বটনেট, ইভসড্রপিং, ডিনায়েল অব সার্ভিস, ভাইরাস, ভিডিওএস, ম্যালওয়্যার, স্পাইওয়ার, র‌্যানসামওয়ার  ইত্যাদি। এসব পদ্ধতি ব্যবহার করেই কারো পাসওয়ার্ড হাতিয়ে নেওয়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন ক্ষতিসাধন করা যায়। এসব পদ্ধতি ব্যবহার করে হ্যাকাররা সাইবার অপরাধ সংঘটিত করে থাকছে।

তথ্য প্রযুক্তির যুগে আমাদের ইন্টারনেট ব্যবহারে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে। ইন্টারনেট ব্যবহারে  সাবধান থাকার কোনো বিকল্প নেই। তা নাহলে আপনি আমিও ফেসে যেতে পারি সাইবার অপরাধের দায়ে।

আরো পড়ুন: ফোন কেনার আগে যা জানা দরকার - ভালো মোবাইল চেনার উপায়

সাইবার অপরাধের কারন

বর্তমানে সাইবার সমস্যা জটিল একটি সমস্যা হয়ে দাড়িয়েছে। সাইবার অপরাধিরা কখন কার ক্ষতি করে দেয়, টেরও পাওয়া যায় না। সাইবার অপরাধিরা তার বিভিন্ন লক্ষ্য পূরনের জন্য এ অপরাধ করে থাকে। সাইবার ক্রাইমরা সুরক্ষা লঙ্ঘন থেকে শুরু করে গোপনে অন্যের বিভিন্ন তথ্য চুরি করে। অনলাইনে যাই অপরাধমূলক কাজ হোক না কেন সেসবগুলোই সাইবার অপরাধের অন্তরভূক্ত। সাইবার অপরাধের বিভিন্ন কারন রয়েছে, যার কয়েকটি নিচে আলোচনা করা হলো-

  • সাইবার অপরাধের একটি কারন হলো দুর্বল ডিভাইসের ব্যবহার। ডিভাইস দুর্বল হওয়ার কারনে অপরাধিরা সহজেই এ অপরাধ করে থাকছে। 
  • বর্তমানে সাইবার অপরাধ যে হারে হচ্ছে সে অনুযায়ী  নিরাপত্তার ব্যবস্থা খুবই কম। দুর্বল ডিভাইসের সাথে নিরাপত্তার ব্যবস্থাও দুর্বল যার কারনে অপরাধিরা সহজেই সাইবার আক্রমন করছে। আইনগত কঠোর  ব্যবস্থা না থাকার কারনে অপরাধির সংখ্যা দিন দিন আরও বেড়েই চলেছে।
  • সাইবার অপরাধের বিশেষ কারন হলো অর্থনৈতিক কারন। অর্থনৈতিক স্বার্থের জন্য সাইবার অপরাধ বেশি পরিমানে ঘটে থাকছে। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে অচেনা মানুষ চেনা পরিচয় দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে টাকা আদায় করে নিচ্ছে। অন্যের অর্থ আত্বসাৎ করার জন্য অপরাধিরা সাইবার ক্রাইম করছে।
  • সাইবার অপরাধের আরেক কারন হলো ব্যাক্তিগত কারন। ব্যাক্তিগত ভাবে কারও গোপন তথ্য সংগ্রহ করে  কাউকে ছোট করতে, হেনস্তা করতে, অসম্মান অথবা মানহানি করার জন্য সাইবার অপরাধ করে থাকে।

সাইবার অপরাধ প্রতিরোধের উপায়

সাইবার ক্রাইম খুবই ভয়ানক একটি নাম। বর্তমানে প্রত্যেক ঘরে ঘরে রয়েছে, স্মার্ট ফোন, মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, ল্যাপটপ বিভিন্ন নেটওয়ার্ক সম্পর্কিত প্রযুক্তি। এসব প্রযুক্তির সাহায্যে আমরা ঘরে বসেই বিভিন্ন সুবিধা গ্রহন থেকে শুরু করে, ইনকাম করতে পারছি। কিন্তু সাইবার অপরাধ নামক ভয়ানক সমস্যা আমাদের নেটওয়ার্ক ব্যবহারে ভীতি সৃষ্টি করেছে। সাইবার অপরাধিরা টেকনিক্যালি খুবই দক্ষ এবং অ্যাডভান্স প্রযুক্তি ব্যবহার করে। তারা সহজেই এ অপরাধ করে ফেলতে পারে, তাই আমাদের নিজেদেরকই সাবধান থাকতে হবে। জেনে নিন কিভাবে সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ করা যাবে-

  • সাইবার প্রতিরোধে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন। আপনার পাসওয়ার্ড বার বার বিভিন্ন সাইটে পুনরাবৃত্তি করবেন না এবং পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন। আপনার যেকোনো পাসওয়ার্ড অন্য কাউকে দিবেন না আর পাসওয়ার্ড ব্যবহার করার সময় অবশ্যই সতর্ক থাকবেন। 
  • অন্যের মোবাইল অথবা বিভিন্ন নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। অন্যের ফোন বা কম্পিউটারে কখনই নিজের একাউন্টে প্রবেশ করবেন না।
  • ইলেকট্রনিক অর্থ লেনদেনের সময় সতর্ক থাকা। 
  • আপনার ব্যক্তিগত মুহূর্তের কোনো ছবি বা ভিডিও মোইবাইল ফোন বা কম্পিউটারে রাখবেন না।
  • আপনার সপ্টওয়্যার এবং অপারেটিং সিস্টেম সবসময় আপডেট রাখুন।
  • চেষ্টা করুন পাবলিক নেটওয়ার্ক থেকে বিরত থাকার।
  • অন্য কেউ আপনার নিজের কারও পরিচয় দিয়ে এসএমএস বা ফোন দিয়ে টাকা চায়তে পারে। এমন ভাবে চাইবে যে সে পরিস্থিতিতে আপনি ধরতেই পারবেন না। তাই অপরিচিত নাম্বার থেকে ফোন বা এসএমএস আসলে আগে যাচাই করে নিন সে আপনার পরিচিত কি না।
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আপনার ব্যাক্তিগত কোন তথ্য কম শেয়ার করুন।
  • ভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে  অ্যান্টি ভাইরাস ব্যবহার করুন।
  • ফিসিং লিংক তৈরি করার মাধ্যমে আক্রমন কারীরা সহজেই সাইবার ক্রাইম ঘটিয়ে থাকছে। তাই ফেইসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ইউটিউবে আসা যেকোনো লিংক এ নিশ্চিত না হয়ে ক্লিক করবেন না।
  • আপনার ফোনে আসা ওটিপিগুলো কারও সাথে শেয়ার করবেন না, আপনি নিজেই গোপনিয়তার সাথে ব্যবহার করবেন।

সাইবার প্রতিরোধে সর্বদা আমাদের সচেতন থাকতে হবে, সচেতনতা অবলম্বনে উপরের নিয়মগুলো অনুসরন করবেন। এরপরও যদি সাইবার অপরাধের শিকার হন, তাহলে আইনের আশ্রয় নিতে হবে।

সাইবার অপরাধের নাম

১০ টি সাইবার অপরাধের নাম

সাইবার আক্রমনের প্রধান উদ্দেশ্য হিসেবে ধারনা করা হয় বিপুল পরিমানে অন্যের অর্থ হাতিয়ে নেওয়া। ব্যাক্তিগত, সামাজিক এবং অর্থনৈতিক জীবনে ব্যপক সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে সাইবার অপরাধের কারনে। সারা বিশ্ব প্রতি বছরই সাইবার ক্রাইমের জন্য শত শত ডলার ক্ষতি হচ্ছে। বিভিন্ন নামে সাইবার ক্রাইম সংঘটিত হয়ে থাকছে। জেনে নিন ১০ টি সাইবার অপরাধের নাম-

পরিচয়পত্র চুরি: একজন সাইবার অপরাধি অন্য একজন ব্যাক্তির অনুমতি ছাড়াই ব্যাক্তিগত পরিচয় পত্র হ্যাক করে নেয় এবং সে ব্যক্তিকে বিভিন্ন ভাবে হেনস্তা করে।

র‌্যানসমওয়্যার: র‌্যানসমওয়্যার হলো এমন এক ভাইরাস যা আপনার কম্পিউটার ডিভইসকে আক্রমন করে কম্পিউটার হার্ড ড্রাইভে থাকা আপনার সবগুলো ফাইল লক করে দিবে। ফলে আপনি নিজেই নিজের ফাইলে প্রবেশ করতে পারবেন না।

সাইবার বুলিং: সাইবার অপরাধের একটি নাম হলো সাইবার বুলিং। সাইবার বুলিং দুজন ব্যাক্তির মধ্যে হয়ে থাকে। ইন্টারনেট কিংবা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কাউকে উদ্দেশ্য  করে কটুক্তি করা কিংবা কারও আপত্তিকর ছবি বা ভিডিও উপস্থাপন করা হলো সাইবার বুলিং।

ইন্টারনেট জালিয়াতি:  সাইবার অপরাধের আরেক নাম হলো ইন্টারনেট জালিয়াতি। সাইবার অপরাধিরা কোনো ব্যাক্তির অনুমতি ছাড়াই নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে এবং সে ব্যাক্তির গুরত্বপূর্ন বিভিন্ন তথ্য, ফাইল ইত্যাদির ক্ষতি করে।

সফটয়্যার পাইরেসি: অবৈধভাবে সফটয়্যার বা প্রোগামের ব্যবহার হলো সফটয়্যাার পাইরেসি। সাইবার অপরাধিরা, যারা সফটয়্যার তৈরি করে তাদের অনুমতি না নিয়ে তাদের সফটয়্যার কপি করে, নিজের নামে বিতরন করে এবং নিজে ব্যবহার করে। এ সফটয়্যার পাইরেসি সাইবার অপরাধের আরেক নাম।

মার্কেটিং প্রতারনা: অনলাইনে কিছু কিনা, অথবা অনলাইনে চাকরি করতে গিয়ে প্রতারনার শিকার হওয়ায় হলো মার্কেটিং প্রতারনা। কিছু সাইবার  অপরাধিরা এ জঘন্য কাজগুলো করে থাকছে। আপনি অনলাইনে আগাম টাকা দিয়ে কোনো জিনিস কিনবেন, কিন্তু সে জিনিস আপনি হাতে পাবেন না। পরবর্তীতে আপনি যে পেইজ থেকে জিনিসের অর্ডার দেবেন সেখানে যোগাযোগ করতে গিয়ে দেখবেন তাদের কোনো ফেইসবুক পেইজ সেখানে নেই। এইভাবেই অনেক মানুষ সাইবার অপরাধিদের শিকার হচ্ছে।

আইডি হ্যাকিং: হ্যাকাররা আপনাকে তাদের বিভিন্ন ফাঁদে ফেলে আপনার আইডি হ্যাক করে নিতে পারে। ফলে আপনার নিজের একাউন্ট আপনার নিজের দখলেই আর থাকবেনা। প্রতারকরা বিভিন্ন ভাবে প্রতারনা করে ব্যবহারকারীর আইডি হাতিয়ে নেই এবং নিজেই সে আইডি নিয়ন্ত্রন করে এবং সে আইডিতে বিভিন্ন ধরনে আপত্তিজনক ছবি বা ভিডিও আপলোড করে।

অনলাইনে মাদক পাচার: অনান্য পণ্যের মতো মাদক বিক্রি হচ্ছে অনলাইনের মাধ্যমে। অনলাইনে অর্ডার করলেই বাড়িতে এসেই পৌঁছে দিচ্ছে বিভিন্ন মাদকদ্রব্য। এ কাজগুলো যারা করছে তারাও সাইবার অপরাধির অন্তর্ভূক্ত।

অনলাইন নিয়োগ জালিয়াতি: সাইবার অপরাধিরা ঘরে বসে অনলাইন কাজ  করার অফার দিয়ে প্রতারনায় ফেলছে অনেক মানুষকে। টাকার লোভ দেখিয়ে বিভিন্ন ফাঁদ তৈরি করে সে ফাঁদে ফেলে দিচ্ছে বহু মানুষকে।

গ্যাম্বলিং: গ্যাম্বলিং এর বাংলা অর্থ হলো জুয়া খেলা। বাংলাদেশে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে জুয়া খেলার প্রবনতা দিন দিন বেড়েই চলেছে। অনলাইনের মাধ্যমেই গড়ে উঠছে জুয়ার আসর। অনলাইনের মাধ্যমে জুয়া খেলাও সাইবার অপরাধি।

সাইবার অপরাধির সংখ্যা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে, অপরাধের শিকার না হতে চাইলে আজ থেকে এখন থেকে নিজেই সাবধানতা শুরু করুন। একটু সচেতন থাকলেই প্রতারনার জাল থেকে বাঁচতে পারবেন আপনিও।

আরো পড়ুন: নিজেকে পরিবর্তন করার উপায় - অভ্যাস পরিবর্তন করার উপায়

লেখকের শেষ বক্তব্য

সাইবার অপরাধ কিভাবে সংঘটিত হয় - সাইবার অপরাধের নাম সম্পর্কে আজকের এই ব্লগে সকল তথ্য তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। আশা করি সাইবার অপরাধ কিভাবে সংঘটিত হয় - সাইবার অপরাধের নাম সম্পর্কে আপনি বিস্তারিত জানতে পেরেছেন।

এতক্ষণ আমাদের সঙ্গে থাকার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। যদি আপনি এই ধরনের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ব্লগ পোস্ট নিয়মিত পড়তে চান তাহলে আপনাকে প্রতিনিয়ত আমাদের এই ওয়েবসাইট ফলো করতে হবে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন