বাচ্চাদের দ্রুত জ্বর কমানোর উপায় - বাচ্চার জ্বর কমানোর দোয়া

সাধারনত শিশুদের মধ্যে ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রামনের কারনে জ্বর হয়ে থাকে। শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হলে সেটাকে জ্বর বলা হয়। যারা নতুন মা-বাবা হয়েছেন তাদের অনেকের শিশুর জ্বর সম্পর্কে ধারনা নেই। সে কারনে অনেকেই জানতে চান বাচ্চাদের জ্বর হলে  কি করনীয়, বাচ্চাদের জ্বর হলে কি ওষুধ খাওয়াবো, জ্বর না কমলে কি করবো এরকম জ্বর নিয়ে অনেক প্রশ্ন বাবা-মায়ের মনের ভিতরে ঘুরপাক খায়। এসব বিষয়ের সমাধান নিয়েই আজকের আর্টিকেল। আপনারা যারা এসব বিষয়  জানতে আগ্রহী তারা আজকের আর্টিকেলটি ধৈর্য সহকারে পড়বেন।

বাচ্চাদের দ্রুত জ্বর কমানোর উপায়

ছোট শিশুর জ্বর প্রায় দেখা যায়। শিশুদের জ্বর তখনই বলা হয় যখন তাপমাত্রা ১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইটের উপরে চলে যায়। শিশুদের জ্বর হলে বাবা-মায়েরা অনেক চিন্তিত ও হতাশ হয়ে যায়। তবে হতাশ হওয়ার কোনো কারন নেই সঠিক উপায় জেনে, সঠিকভাবে যত্ন ও পরিচর্যা করলেই এবং সৃষ্টিকর্তার কাছে চাইলেই শিশুদের জ্বর সারানো যায়। তাই বাবা-মায়ের জানতে হবে শিশুদের জ্বর হলে তাদের করনীয় গুলো কি। চলুন জেনে নেওয়া যাক বাচ্চাদের দ্রুত জ্বর কমানোর উপায় সম্পর্কে।

বাচ্চাদের হঠাৎ জ্বর হলে করনীয়

আবহাওয়া ও তাপমাত্রার পরিবর্তনের কারনে শিশুদের জ্বর হয়ে থাকে। শিশুদের জ্বর অল্পতেই হঠাৎ করে আসে, হঠাৎ করে বেড়ে যায় এবং থেমে থেমে জ্বর আসে। জ্বর হলে শিশুরা বমি করে, নাক দিয়ে পানি পড়ে, খাবার খায় না , খিঁচুনি হতে পারে, অতিরিক্ত দুর্বল হয়ে পড়বে এবং অনেক সময় জ্ঞানও হারিয়ে ফেলে। শিশুদের এসব লক্ষন প্রকাশ পেলে মা-বাবারা ভয় পেয়ে যান তবে ভয় পাওয়ার কিছু নেই, কয়েকটি ঘরোয়া উপায় জেনে নিন এবং সে অনুযায়ী যত্ন নিন শিশুদের জ্বর কমে যাবে। বাচ্চাদের হঠাৎ জ্বর হলে যা করবেন:

  • শিশুদের জ্বর হলে, শিশুদের শরীর হালকা কুসুম গরম পানিতে তোয়ালে ভিজিয়ে দিয়ে মুছে নিবেন। এতে শিশুর জ¦ব অল্প কিছুক্ষনের মধ্যে সেরে যাবে। 
  • মাথায় পানি দিতে হবে, খেয়াল রাখবেন যাতে কানের মধ্যে পানি প্রবেশ না করে। 
  • রোগাক্রান্ত শিশুকে ঠান্ডা স্থানে রাখুন। বদ্ধ ঘরে রাখবেন না ঘরের দরজা খোলা রাখুন যাতে বাতাস চলাচল করতে পারে এবং ফ্যানের নিচে রাখবেন। 
  • যে বাচ্চা বুকের দুধ খায় সে বাচ্চার জ্বর হলে তাকে বারবার দুধ দিবেন। এতে বাচ্চা দুর্বল হবে না, দুর্বল হলে বাচ্চার জ্বর আরও বেড়ে যায়। 
  • তরল খাবার বেশি বেশি দিবেন, পানি, ডাবের পানি, ঠান্ডা দই, স্যুপ, শরবত, স্যালাইন বেশি করে খাওয়াবেন। 
  • শিশুদের বিশ্রামে রাখবেন, দৌড়ঝাপ যেন না করে সেদিকে খেয়াল রাখবেন। ।
  • অনেকেই আছেন শিশুদের জ্বর হলে গোসল করা বন্ধ করে দেন। তবে এটা ঠিক নয়, শিশুদেরে জ্বর হলে চিকিৎসকেরা গোসল করাতে বলেছেন। তাই শিশুর জ্বর হলে গোসল করাবেন। 
  • জ্বরে আক্রান্ত শিশুকে বেশি আঁটশাট কাপড় পড়িয়ে রাখবেন না, ঢিলাঢালা কাপড় পড়িয়ে রাখবেন।
  • ঘরে থাকা পেঁয়াজ দিয়েও বাচ্চার জ্বরের চিকিৎসা করতে পারেন। এর জন্য একটি পেঁয়াজকে ছোট ছোট করে কেটে আপনার শিশুর পায়ের তলায় ঘষতে পারেন। এতে জ্বর কিছুটা কমবে, দিনে দুইবার করবেন।
  • সরিষার তেল ও রসুন একসাথে মিক্স করে আপনার শিশুকে মালিশ করতে পারেন। আপনার শিশুর জ্বর নিয়ন্ত্রনে আনা যাবে।
  • আপনার শিশুকে জ্বর হলে এক টুকরো কাপড় পানিতে ভিজিয়ে কপালের ওপর রাখুন। কিছুক্ষন পর পর তুলবেন আর দিবেন এভাবে বারবার করতে থাকুন। আশা করা যায় তাপ কিছুটা কমবে। 
  • তুলসি পাতা জ্বর কমাতে একটি কার্যকারী উপাদান। তাই কয়েকটি তুলসি পাতা নিয়ে ধুয়ে গরম পানিতে ছেড়ে , সময় ধরে পানিকে ফুটিয়ে সেই ফুটানো পানি ঠান্ডা করার পর বাচ্চাকে খাওয়াবেন। তুলসি পাতার রসও খাওয়াতে পারেন, এত বাচ্চার জ্বর কমবে।
  • জ্বর হলে বাচ্চারা খেতে চাই না সেক্ষেত্রে কুসুম গরম পানিতে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে যদি বাচ্চাকে খাওয়া যায় তাহলে ঠান্ডা জাতীয় জ্বরের জন্য অনেক উপকার পাওয়া যায়। 
  • বাচ্চাকে জ্বর হলে প্রচুর পরিমানে পানি এবং টক জাতীয় খাবার লেবু, মালটা, কমলা, জাম্বুরা খাওয়াবেন। 
  • প্যারাসিটামল নাপা সিরাপ জ্বর হলে বাচ্চাকে খাওয়াতে পারেন,  এর জন্য তাপমাত্রা মেপে নিবেন। বগলে তাপমাত্রা মাপবেন যদি তাপমাত্রা ১০০ হয় তাহলে নাপা সিরাপ বাচ্চার বয়স ও ওজন মেপে খাওয়াবেন।

উপরে বলা টিপসগুলো বাচ্চার জ্বর হলে তিনদিন পর্যন্ত করবেন। যদি সেগুলো করে বাচ্চার জ্বর না কমে তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন।

আরো পড়ুন: ঘুমের মধ্যে মুখ দিয়ে লালা বন্ধ করার উপায়

বাচ্চাদের জ্বর হলে কি ঔষধ খাওয়ানো উচিত

বাচ্চাদের শরীরে যদি ইনফেকশন হয় তাহলে সেক্ষেত্রে বাচ্চাদের জ্বরের উপসর্গ দেখা দেয়। শিশুদের জ্বর হলে চিন্তার কোনো কারন নেই, ঘরোয়া পদ্ধতিতে তা সেরে যেতে পারে। গবেষনামতে  শিশুর জ্বর কমাতে স্পঞ্জিং, কুলিং ব্র্যাকেট জ্বরের বিকল্প ওষুধ। তবে তাতে যদি শিশুর জ্বর না কমে তাহলে  চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া শুধু প্যারাসিটামল সিরাপ অথবা প্যারাসিটামল সাপোজিটার ব্যবহার করতে পারবেন, তবে বয়স ও ওজনের দিকে লক্ষ্য রেখে ব্যবহার করতে  হবে। নিজ থেকে কিনে কোনো বাইরের ওষুধ শিশুকে খাওয়ানো ঠিক নয়। অনেক সময় আমরা শিশুদের জ্বর কন্ট্রোলে না আনতে পারলে ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া এন্টিবায়োটিক দিয়ে দিই, তবে এটা করা উচিত নয়। 

শিশুদের প্যারাসিটামল খাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম মেনে খাওয়াতে হবে। সেগুলো না জেনে শিশুকে ওষুধ খাওয়ালে শিশুর শরীরে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। শিশুদেরে জন্য বিভিন্ন ধরনের প্যারাসিটামল পাওয়া যায় যা শিশুর ঠান্ডা, সর্দি, কাশি, মাথা ব্যাথা, কানের ব্যাথা দূর করে। তবে সেই প্যারাসিটামল ওষুধগুলো শিশুর বয়স ও ওজন অনুযায়ী খাওয়াতে হবে।

শিশুকে প্যারাসিটামল যখন খাওয়াবেন তার সাথে অন্য কোনো ঠান্ডার ওষুধ খাওয়াবেন না। শুধু প্যারাসিটামল খাওয়াবেন। প্যারাসিটামল ওষুধ খাওয়ালে ব্যাথা কমানোর পাশাপাশি অন্য সমস্যাও শিশুর ভালো হয়। শিশুকে এ ওষুধের পাশাপাশি অন্য কোনো ওষুধ দিলে শিশুর ক্ষতি পারে। তাই যখন আপনার শিশুকে প্যারাসিটামল খাওয়াবেন তখন শুধু সেটাই খাওয়াবেন তার সাথে অন্য কিছু দিবেন না। 

সতর্কতার সাথে ওষুধটি  খাওয়াবেন, শিশুর বয়স ২ মাসের কম হলে প্যারাসিটামল দিবেন না। আপনার শিশুর খিঁচুনি থাকলে , কিডনির সমস্যা থাকলে, শিশু বয়সের তুলনায় খাটো বা ওজন কম হলে ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া শিশুকে ওষুধ খাওয়া ঠিক নয়। ৬ মাসের আগের শিশুকে সবসময় সিরাপ খাওয়াবেন এরপর শিশু বড় হলে ট্যাবলেট খাওয়াবেন তাতে আর সমস্যা হবে না। ট্যাবলেট খাওয়ার সময়ও পরিমাপ করে খাওয়াবেন এবং খালি পেটে খাওয়াবেন না, ভরা পেটে খাওয়াবেন। শিশুদের প্যারাসিটামল সিরাপ বা ওষুধে জ্বর না কমলে সাপোজিটার ব্যবহার করবেন। তবে জ্বর যদি ১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইটের বেশি হয়ে যায় তাহলে চিকিৎসকেরা সাপোজিটার ব্যবহার করতে বলেছেন।

বাংলাদেশে  প্যারাসিটামলের বিভিন্ন  ব্র্যান্ড রয়েছে সেগুলো কিনতে পারেন। যেমন- নাপা, এইস, ফাস্ট, এটিপি, রেনোভা, রিসেট, এক্সপা ইত্যাদি। এগুলো খাওয়ার পরও যদি আপনার শিশুর জ্বর না কমে তাহলে অবশ্যই দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন। কারন জ্বর থেকে অনেক সময় বাচ্চার বড় কোনো সমস্যা বা অসুখ দেখা দিতে পারে।

বাচ্চাদের জ্বর না কমলে করনীয়

জ্বর প্রায় সকল বাচ্চার হয়ে থাকে, জ্বর হয় না এমন বাচ্চা নেই বললেই চলে। বিশেষজ্ঞরা বলে থাকেন জ্বর কোনো অসুখ নই এটি একটি উপসর্গ। আপনার বাচ্চার শরীরে কোনো ইনফেকশন হলে জ্বর সেটা সিগনাল দেয় যে আপনার শিশুর শরীরে ইনফেকশন রয়েছে। তবে জ্বরের উপসর্গ দেখা দিলে মা-বাবাকে কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে যাতে শিশুর জ্বরটা ভালো হয়ে যায়। বাচ্চার জ্বর মা-বাবার এ এক অস্বস্থির কারন। বাচ্চার জ্বর হলে মা-বাবারা অত্যন্ত দুশ্চিন্তাগ্রস্থ হয়ে পড়ে। দুশ্চিন্তা আরও বেড়ে যায় যখন দেখে ঘরোয়া উপায় বা ওষুধে কোনো কাজ করছে না। এর জন্য কি করবো বাবা-মায়ের প্রশ্ন। চলুন জেনে নিই এ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞরা কি বলে।

বাচ্চাদের জ্বর যদি না কমে তাহলে প্রথমেই আমাদের দেখতে হবে বয়স ও ওজনভেদে শিশুকে প্যারাসিটামল সিরাপ খাওয়ানো হয়েছিল কিনা। যদি প্যারাসিটামলের মাত্রা কম হয় তাহলে কিন্তু জ্বরের মাত্রা কোনোভাবেই কমবে না। প্যারাসিটামল দেওয়ার ৩০ মিনিট পর যদি বাচ্চার জ্বর না কমে তাহলে কিন্তু আপনি  আবার প্যারাসিটামল দিতে পারবেন না। এর জন্য আপনাকে ৪ থেকে ৬ ঘন্টা সময় অপেক্ষা করতে হবে। তবে সেই সময়টুকুতে আপনি বসে না থেকে সুতি কাপড়কে হালকা গরম পানিতে ভিজিয়ে, শক্ত করে চিপে পানি বের করে আপনার বাচ্চার মাথা থেকে পা পর্যন্ত পুরো শরীর মুছে দিবেন। প্যারাসিটামল খাওয়ার আধা ঘন্টা পর এভাবে করবেন। কারন প্যারাসিটামল খাওয়ার ৩০ মিনিট পর ওষুধের কাজ করতে শুরু করে। আপনার বাচ্চার জ্বর কোনোভাবেই না কমলে এ পদ্ধতি আপনি অনুসরণ করতে পারেন।

আরেকটা বিষয় হচ্ছে অনেকেই আমরা জ্বরের তাপমাত্রা না মেপে প্যারাসিটামল সিরাপ দিয়ে থাকি। তবে জ্বরের তাপমাত্রা যদি ১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইটের উপরে থাকে  তাহলে কিন্তু আপনার শিশুর বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই প্যারাসিটামল সিরাপ কাজ করবেনা। সেক্ষেত্রে আপনাকে প্যারাসিটামল সাপোজিটার ব্যবহার করতে হবে। প্যারাসিটামল সাপোজিটার দিয়েও যদি না কমে তাহলে ডাক্তাররা ৪ ঘন্টা পর পর সাপোজিটার দিতে বলেন। তবে থার্মোমিটার দিয়ে জ্বর মাপার সময় অবশ্যই আপনাকে ঠিক করে, সঠিক পদ্ধতিতে জ্বর মাপতে হবে। থার্মোমিটা লম্বা করে অবশ্যই বগলে ধরবেন। অনেক সময় এ ভুলের কারনে আপনার বাচ্চার জ্বর নাও কমতে পারে।

বাচ্চার জ্বর কমাতে সকল পদ্ধতি গ্রহন করার পরও যদি কোনোমতেই জ্বর কমানো না যায়। তাহলে অবশ্যই ডাক্তারের পরমর্শ নিতে হবে। 

আরো পড়ুন: গর্ভাবস্থায় কলা খাওয়ার উপকারিতা - কলা খেলে কি হয়

বাচ্চার জ্বর কমানোর দোয়া

সুস্থ থাকতে আমরা সবাই চাই, আমরা সবাই চাই আমাদের বাচ্চারাও যাতে সর্বদা সুস্থ থাকে। হাদিসে বিভিন্ন রোগ বালাই থেকে মুক্তির উপায় বলা হয়েছে। সৃষ্টিকর্তা আমাদের সকল সমস্যার সমাধান দিয়ে রেখেছেন, পাশাপাশি রোগ থেকে মুক্তির আমলও  কোরআন ও হাদিসের মধ্যে দিয়েছেন। আপনাদের বাচ্চারা জ¦রে আক্রান্ত হলে চিকিৎসা নেওয়ার পাশাপাশি আপনাকে দোয়া ও আমল করতে হবে। বাচ্চাদের জ্বর হলে যে দোয়াগুলো পড়বেন নিচে তা আলোচনা করা হলো।

জ্বর ও অনান্য  ব্যাথায় আল্লাহর রাসূল আমাদের প্রিয় নবীজি এ দোয়াটি পড়ার শিক্ষা দিয়েছেন, দোয়াটি হলো-

বাংলা উচ্চারন: বিসমিল্লাহিল কাবির, আউজুবিল্লাহিল আজিমি মিন শাররি ইরকিন না’আর, ওয়া মিন শাররি হাররিন নার।

বাংলা অর্থ: মহান আল্লাহর নামে, আমি আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করছি’ প্রবল প্রবাহ রক্তচাপের আক্রমন থেকে এবং জাহান্নামের উত্তপ্ত আগুনের অনিষ্ট থেকে। ( তিরমিজি হাদিস : ২০৭৫)

এছারাও সুরাতুল ফাতিহা আপনার বাচ্চার জ্বর হলে পড়বেন। সুরাতুল ফাতিহাকে, সুরাতুল শিফাও বলা হয় যার অর্থ হলো আরোগ্য লাভের সূরা। সূরা ফাতিহাকে সকল রোগের ঔষধ বলা হয়।  হাদীসে বর্নিত আছে সুরাতুল ফাতিহার মধ্য দিয়ে সাহাবায়ে একরম চিকিৎসা গ্রহন করেছিলেন এবং রোগ থেকে মুক্তি পেয়েছিলেন। বাচ্চাদের জ্বর কমাতে বিশ^াসের সাথে সুরা ফাতিহা পড়ে পানিত ফুঁ দিয়ে খাওয়াবেন। ইন শা আল্লাহ, মহান আল্লাহ তায়ালা জ্বর থেকে আপনার বাচ্চাকে সুস্থ করবেন।

পরিশেষে বলতে চায় আপনার শিশুর জ্বর হলে হতাশাগ্রস্থ হবেন না। সঠিকভাবে যত্ন নিবেন, পরিচর্যা করবেন, চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন এবং পাশাপাশি মহান রব্বুল আলামিনের কাছে দোয়া করবেন। আপনার শিশুর জ্বর দ্রুত ভালো হয়ে যাবে। অতিরিক্ত বমি, ডায়রিয়া এবং তাপমত্রা অধিক পরিমানে হলে বাড়িতে চিকিৎসা না করে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাবেন।

লেখকের শেষ বক্তব্য

বাচ্চাদের দ্রুত জ্বর কমানোর উপায় - বাচ্চার জ্বর কমানোর দোয়া সম্পর্কে আজকের এই ব্লগে সকল তথ্য তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। আশা করি বাচ্চাদের দ্রুত জ্বর কমানোর উপায় - বাচ্চার জ্বর কমানোর দোয়া সম্পর্কে আপনি বিস্তারিত জানতে পেরেছেন।

এতক্ষণ আমাদের সঙ্গে থাকার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। যদি আপনি এই ধরনের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ব্লগ পোস্ট নিয়মিত পড়তে চান তাহলে আপনাকে প্রতিনিয়ত আমাদের এই ওয়েবসাইট ফলো করতে হবে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন