টবে গোলাপ ফুলের চাষ পদ্ধতি - গোলাপ ফুল কখন ফোটে

গোলাপ সবার পচ্ছন্দের একটি ফুল। গোলাপের সৌন্দর্য বিবেচনা করে, গোলাপকে ফুলের রানী বলা হয়ে থাকে। বাংলাদেশে  বহুলভাবে গোলাপের চাষ করা হচ্ছে। অর্থনৈতিক দিক থেকেও গোলাপের অবদান রয়েছে। গোলাপ চাষ করে একাধিক পরিবার সাবলম্বী হয়ে উঠছে। আর্থিক স্বচ্ছলতার পাশাপাশি এ ফুল বিভিন্ন রোগের ঔষধ হিসেবেও ব্যবহার করা হয়। এছারাও গোলাপ ফুলের গাছ বাড়িতে থাকলে, বাড়ির সৌন্দর্য আরও ফুটিয়ে তোলে। এজন্য অনেকেই বাড়িতে টবে গোলাপের চাষ করতে চায়।

টবে গোলাপ ফুলের চাষ পদ্ধতি

টবে গোলাপ ফুলের চাষ করতে সঠিক পদ্ধতি জানা জরুরি। যারা টবে গোলাপ ফুলের চাষ করতে চান, তারা আজকের আর্টিকেলটি পড়লে জেনে যাবেন টবে গোলাপ ফুল চাষের সঠিক পদ্ধতি। কারন আজকের আর্টিকেলে আমরা আলোচনা করবো টবে গোলাপ ফুলের চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে।

টবে গোলাপ ফুলের চাষ পদ্ধতি

গোলাপ সাধারণত একটি শীতকালীন ফুল, তবে এখন সারাবছর গোলাপ ফুল পাওয়া যাচ্ছে। ফুলের রানী গোলাপ ফুলকে পচ্ছন্দ করে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কষ্টসাধ্য। আমাদের মধ্যে অনেকেই শখ করে বাড়ির চারপাশে, উঠানে অথবা বাড়ির ছাদে টবে করে গোলাপ ফুল চাষ করতে চায়। বাংলাদেশে বিভিন্ন গোলাপের জাত রয়েছে, মিরান্ডি, ডাবল ডিলাইট, ব্লু-মুন, টাটা সেন্টার, পাপা মেলান্ড, তাজমহল, প্যারাডাইস, প্রভৃতি গোলাপের চাষ বাংলাদেশে করা হচ্ছে। এসবগুলো টবেও চাষ করতে পারবেন। গোলাপ ফুলের চাষ টবে করতে পারবেন আপনিও, তবে এর জন্য জানতে হবে চাষের সঠিক পদ্ধতি। জেনে নিন কিভাবে টবে গোলাপের চাষ করবেন।

মাটি নির্বাচন ও মাটি তৈরি: গোলাপ চাষের জন্য অনেকেই এঁটেল মাটি নিয়ে থাকে তবে উর্বর দোঁয়াশ মাটি  গোলাপ চাষের জন্য উপযোগি। তাই টবে গোলাপের চাষ করতে হলে উর্বর দোঁয়াশ মাটি বেছে নিতে হবে। অতিরিক্ত আদ্র আবহাওয়া গোলাপ গাছের ক্ষতি করে, তাই আপেক্ষিক আদ্রতা ৮৫% গোলাপ চাষের জন্য উপযোগি হিসেবে ধরা হয়। মাটির পিএইচের’ মাত্রা ৬.০ থেকে ৬.৫  গোলাপ চাষের জন্য হতে হবে। টবে এমনভাবে মাটি স্থাপন করতে হবে যাতে কোনোভাবেই টবে পানি জমে না থাকে। প্লাস্টিকের টবে চারা রোপন করতে চাইলে, প্লাস্টিকের টবটি হালকা ফুটো করে দিতে পারেন। ফুলের ফলন ভালো পেতে দোঁয়াশ মাটির সাথে কম্পোষ্ট সার, পঁচা পাতার সার, সরিষার খৈল, নিমের খৈল এবং এক চা চামচ চুন তার সাথে মিশিয়ে টবে ১ মাস রেখে দিন। এতে মাটির সাথে ভালো করে মিশ্রনগুলো মিশে যাবে, পারলে মাটিগুলো কয়েকদিন পর পর এলোমেলো করবেন এতেও মিশ্রন ভালোভাবে হবে। পানি নিষ্কাশনের সুবিধার্তে টবের তলানিতে ইটের টুকরো দিলে ভালো হয়। 

টবটি আলোবাতাস পাবে এমন স্থানে রাখবেন, তবে সকালের আলো গাছের জন্য ভালো হলেও গ্রীষ্মকালের বিকেলের রোদ না লাগলেই ভালো। তাই এমন জায়গায় রাখার চেষ্টা করবেন। ফুল গাছের আকার অনুযায়ী টব নির্বাচন করবেন। গাছ ছোট হলে ২০ সে.মি টব এবং বড় গাছ হলে ৩০ সে.মি নিতে পারেন। তবে খেয়াল রাখবে গাছ যেন টবে বাড়ার সুযোগ পায়, গাছ বাড়তে সুযোগ পেলেই বেশি ফুল পাওয়া যাবে। 

টবে চারা রোপনের সময় এবং নিয়ম: অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে যেকোনো সময়ে বাংলাদেশে চারা রোপনের জন্য উপযুক্ত সময়। গোলাপ গাছের চারা মাটিসহ পলিথিন ব্যাগে অথবা ছোট আকারের টবে কিনতে পাওয়া যায়। এছারাও বাড়িতে ডাল কেটে চারা তৈরি করা যায়। নার্সারি থেকে ভালো মানের চারা সংগ্রহ করবেন, চিনতে না পারলে, যারা ভালো মানের চারা চিনে তাদের সঙ্গে নিবেন। চারা ভালো হলে গাছ সুস্থ থাকবে এবং গাছের বৃদ্ধি ভালোভাবে হবে, এতে ফুলের উৎপাদনও ভালো হবে। এরপর চারাটি লাগানোর সময় পলিথিন ব্যাগ বা ছোট টব থেকে আলগা করে গাছটি সোজাসজি ভাবে টবে গর্ত করে রোপন করবেন। রোপনের সময় খেয়াল রাখবেন অধিক পরিমানে গাছ টবের মাটির গর্তে ঢুকাবেন না। কেনার সময় পলিথিন ব্যাগে যে অবস্থায় চারাটি ছিল, ঠিক সেভাবেই রোপন করতে হবে। পরিশেষে টবের উপরিভাগে কম্পোস্ট সার দিয়ে দিতে হবে।

সেচ এবং সার প্রয়োগ: টবে চারা লাগানোর পর ৩ বার পানি সেচ দিতে হবে। চারার মধ্যে যেন অতিরিক্ত রোদ না পায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। চারা লাগানোর প্রথম দিকে কম রোদ যেন পায় এমন স্থানে রাখতে হবে, এরপর ৬ থেকে ৭ ঘন্টা রোদ পাওয়ার ব্যবস্থা রাখতে হবে। টবে চারা বসানেরা এক মাস পরে অন্তত মাসে  একবার অথবা ১৫ দিন পর পর সার দিতে হবে। পাতার সার ও ফলিয়ার স্প্রে গাছে ফুলের উৎপাদন বাড়াতে ব্যবহার করতে হবে। ফলিয়ার স্প্রে কয়েকটি রাসায়নিক সার একসাথে মিশিয়ে প্রস্তুত করা হয়। শীতকালে সকাল সকাল এ স্প্রে খুবই কার্যকারী, সকাল ৮টার মধ্যে ফলিয়ার স্প্রে করতে হয়। গোলাপ গছের জন্য খুবই উপকারী এ স্প্রেটি। এটি সঠিক ভাবে করলে গাছ সুস্থ থাকে এবং গাছে ফুল বেশি হয়। সঠিকভাবে সার দিতে না জানলে গাছে সার না দেওয়ায় ভালো। কারন সঠিক পদ্ধতিতে  সার প্রয়োগ না করলে গাছের ক্ষতি হতে পারে। সারের পরিবর্তে গোবর ও সরিষার খৈল একসাথে পানিতে মিশিয়ে ৪ থেকে ৫ দিন সে পানি রেখে, সেই পানি সপ্তাহে দুদিন ব্যবহার করতে পারেন। গাছের জন্য খুবই ভালো কাজ করবে। 

এইভাবে গোলাপ গাছ রোপন করলে, গাছে ফুল ভালো আসবে। এছারাও গাছের নিতে হবে সঠিক পরিচর্যা তাহলে গাছ সুস্থ থাকবে এবং ফুলের পরিমাণ বাড়তে থাকবে। কিভাবে গাছের পরিচর্যা করবেন নিচে আলোচনা করা হয়েছে।

আরো পড়ুন: মরিচ চাষ পদ্ধতি - মরিচ চাষের উপযুক্ত সময়

গোলাপ গাছের পরিচর্যা কিভাবে করতে হয়

টবে গোলাপ গাছের চাষ করেও ফলন ভালো পাওয়া যাচ্ছে। তবে এর জন্য নিতে হবে সঠিক যত্ন এবং পরিচর্যা। গোলাপ গাছের সঠিক পরিচর্যায় পারে গাছে ফুলের সংখ্যা বাড়াতে। তাই গোলাপ চাষে অবশ্যই নিতে হবে গোলাপ গাছের সঠিক যত্ন। জেনে নিন কিভাবে নিবেন গোলাপ গাছের পরিচর্যা। 

গোলাপ গাছে সার প্রয়োগ ছাড়াও, সঠিক পরিচর্যা নিতে গাছে চুন পানি প্রয়োগ করতে হবে। এক লিটার পানির জন্য এক চা চামচ চুন গুড়োই যথেষ্ট্য। পরিষ্কার পানির মধ্যে গুড়ো চুন পরিমাণমতো দিয়ে ভালো করে মিশ্রন তৈরি করে পাতলা কাপড় দিয়ে সেই পানি ছেঁকে গাছে ব্যবহার করতে হবে। চুন প্রয়োগ করার সময় লক্ষ্য রাখবেন, যখন চুন পানি প্রয়োগ করার সিধান্ত নিবেন ঠিক তার ১৫ দিনের মধ্যে অন্য কোনো সার দিবেন না এবং ৩ মাস পর পর এ পানি দিতে হবে। 

গাছে ফুলের সংখ্যা বাড়াতে সবথেকে কার্যকারী ভূমিকা রাখে গাছ ছাঁটাই। গাছ ছাঁটাই করলে প্রতিটি ডালে ফুল আসে, এজন্য নিয়মিত গোলাপ গাছ ছাঁটাই করতে হবে। ছাঁটাই পদ্ধতি গোলাপ গাছে করলে ফুল বেশি আসে তার সাথে ফুলগুলো সাইজে বড় হয়। এছারাও গাছ ছাটাইয়ের সাথে গাছের মাটি পরিবর্তন করে নতুন মাটি গাছে দিতে হবে। কিভাবে গাছ ছাটাই করবেন এবং মাটি কিভাবে পরিবর্তন করবেন বিস্তারিত পরবর্তীতে আলোচনা করা হয়েছে। পুরো আর্টিকেলটি পড়লে এসব বিষয় জানতে পারবেন।

গোলাপ গাছের সঠিক যত্ন নিতে, গাছের পোকামাকড় ও রোগবালাই দমন করতে হবে। গোলাপ গাছে সাধরনত উইপোকা, শুঁয়ো পোকা, স্কেলপোকা, জাব পোকা, লাল ক্ষুদে মাকড়সা এসব প্রভৃতি পোকমাকড় আক্রমন করে এবং গোলাপ গাছে ডাইব্যাক এবং পাউডারী মিলডিউ নামে রোগ দুটি হয়ে থাকে। এসব পোকামাকড় এবং রোগ থেকে গাছকে রক্ষা করতে , আক্রান্ত ফুল ও ডগা কেটে ফেলতে হবে এবং সঠিক নিয়মে কীটনাশক প্রয়োগ করতে হবে।

গোলাপ গাছে বেশি ফুল পাওয়ার উপায়

গোলাপ গাছে বেশি ফুল পেতে নিতে হবে বিশেষ ভাবে বাড়তি যত্ন। গোলাপ গাছে ফুল বেশি পেতে গাছকে সুস্থ রাখার চেষ্টা করতে হবে সবসময়। গোলাপ গাছকে সুস্থ রাখতে সবথেকে গুরত্বপূর্ন উপাদান হলো পানি। গোলাপ গাছে প্রতিদিন পরিমাণমতো পানি দিতে হবে, খেয়াল রাখতে হবে পানি যাতে কোনো ভাবেই গাছের গোড়ায় জমে না থাকে আবার পানি যেন না কমে। বেশি ফুল পেতে উপরের বলা পদ্ধতিগুলো পালন করতে হবে, সঠিক নিয়মে সার প্রয়োগ করতে হবে। এছারা গোলাপ গাছের বেশি ফুল পেতে আরও বেশ কিছু যত্ন নিতে হবে। সেগুলো সম্পর্কে নিচে আলোচনা করা হলো-

গোলাপ গাছে বেশি ফুল পেতে, টব থেকে মাটি পরিবর্তন করতে হবে, অক্টোবর থেকে নভেম্বর মাস মাটি পরিবর্তনের সঠিক সময়। টব থেকে গাছের গোড়ার চারদিকে  মাটি শেকড়ের আশেপাশ থেকে উঠিয়ে নিতে হবে । এরপর টব থেকে গোলাপ গাছ আলগা করে নিতে হবে এবং গাছের গোড়া থেকে ভালোভাবে মাটি গুলোকে কেটে নিতে হবে, তার সাথে গাছের পুরাতন শেকড়ও কেটে নিবেন। এখন নতুন মাটি তৈরি করতে হবে। মাটি তৈরি করতে প্রথমে মাটি চালনি দিয়ে চেলে নিতে হবে এরপর মাটির সাথে হাড়ের গুড়া, গবর সার, ভার্মিকম্পোস্ট সার, সিঙকুচি এবং নিম খৈল পরিমান মতো যোগ করে ভালোভাবে সবগুলো উপকরন একসাথে মিশিয়ে নিতে হবে। 

মাটি তৈরি হয়ে গেলে গোলাপ গাছের বেশি ফুল এবং বড় মাপের ফুল পেতে কার্যকারী একটি পদ্ধতি হলো গোলাপ গাছ ছাঁটাই। গাছের ডালপালা সঠিক সময়ে অর্থ্যাৎ মাটি পরিবর্তনের সময় ছাটাই করতে হবে। গোলাপ গাছের ডাল ছাটাইয়ের সাথে, ফুলের কান্ড ছাটাই করতে হবে। গোলাপ গাছের ছাটাই তিন রকমের হয়ে থাকে, হালকা, মাঝারি ও কঠোর ছাটাই। এর যেকোনো একটি ছাটাই করতে পারেন। তবে অধিক পুরোতন গাছ হলে কঠোর ছাটাই করবেন। ডাল ছাটাই হয়ে গেলে, কাটাস্থানে প্রুনিং পেইন্ট’ অথবা গোবর লাগাতে পারেন। এগুলো লাগালে গাছ সুস্থ থাকবে। এরপর টবের সব তলায় ইটের টুকরো দিতে হবে, এরপর তৈরিকৃতি মাটি টবে ভরে গাছ সোজাসুজি ভাবে বসিয়ে পানি দিতে হবে। এ পদ্ধতিটি গোলাপ গাছে করলে বেশি পরিানে ফুল হবে।

গোলাপ ফুল কখন ফোটে

গোলাপ গাছের ডাল থেকে চারা তৈরি

গোলাপ গাছের ডাল থেকে চারা তৈরি করা যায়। তবে এর জন্য জানতে হবে সঠিক পদ্ধতি, কারন সঠিক পদ্ধতিতে ডাল থেকে চার তৈরি করতে না পারলে ডাল পঁচে যেতে পারে অথবা শুকিয়ে যেতে পারে। জেনে নিন গোলাপ গাছের ডাল থেকে চারা তৈরির সঠিক পদ্ধতি-

গোলাপ গাছের ডাল থেকে চারা তৈরি করতে প্রথমেই সুস্থ ডাল বাছাই করতে হবে। ডাল খুব নতুন না হওয়ায় ভালো চারা তৈরি করতে পুরাতন ডাল ব্যবহার করবেন। এরপর যে ডালগুলো চারা তৈরিতে ব্যবহার করবেন, সে ডালগুলোর যেদিক মাটিতে বসাবেন সেদিকের নিচের অংশ সামান্য কাটিং করে নিবেন। ডালগুলোতে কোনো পাতা রাখা যাবে না। এবার ডালগুলোর নিচের অংশে  হরমোন ব্যবহার করতে হবে। হরমোন হিসেবে এলোভেরা জেল, মধু অথবা হরমোন পাউডার নিতে পারেন। এরপর ডালগুলো রোপন করতে ছোট দানার বালি ব্যবহার করতে হবে অথবা চড়ের বালিও ব্যবহার করতে পারেন। এবার একটি পাত্রে বালিগুলো নিয়ে তার মধ্যে ডালটি রোপন করে দিবেন। তবে প্লাস্টিকের পাত্রে ডাল রোপন করলে অবশ্যই পাত্রটি সামান্য ফুটো করে দিবেন, যাতে অতিরিক্ত পানি না জমে। শীতকাল ডাল থেকে চারা রোপনের জন্য উপযুক্ত সময়। ডাল থেকে নতুন শাখা তৈরি হয়ে গেলে তাকে আর সূর্যের আলোতে রাখবেন না। কিছুদিন হয়ে গেলে চারা সঠিক স্থানে রোপন করে দিতে হবে। এভাবে আপনি নিজেই গোলাপের ডাল থেকে চারা তৈরি করতে পারবেন।

আরো পড়ুন: কাঁঠাল পাতার উপকারিতা - কাঁঠাল পাতার বৈশিষ্ট্য

গোলাপ ফুল কখন ফুটে

গোলাপ একটি শীতকালীন ফুল। গোলাপ ফুল বিভিন্ন দেশে আবহাওয়া ও জলবায়ুর জন্য উপযোগি। তাই প্রায় সব দেশে গোলাপ ফুলের চাষ করা হয়।  বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গোলাপ ফুলের ব্যপক কদর রয়েছে, এছারাও এ ফুল দিয়ে বিভিন্ন প্রসাধনী তৈরি করা হচ্ছে। এ ফুলকে সৌন্দর্যের প্রতীক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়ে থাকে। সৌন্দর্যের পাশাপাশি এ ফুলের রয়েছে বিভিন্ন উপকার। ওজন নিয়ন্ত্রনে, ত্বক ভালো রাখতে, চুলের সমস্যায়, পিরিয়ডের সমস্যায়, স্ট্রেস থেকে মুক্তি পেতে, পেট ঠান্ডা রাখতে, যৌন ক্ষমতা বাড়াতে, এ ফুলের পাপড়ি ব্যবহার করা হয়। এ ফুলের অধিক গুন  এবং সৌন্দর্যের কারনে এ ফুলের ব্যপক চাহিদা রয়েছে।

অতিরিক্ত চাহিদা পূরনে গোলাপ ফুল শীতকালীন ফুল হলেও সারাবছরই এখন এ ফুল পাওয়া যাচ্ছে। গোলাপ ফুল বর্তমান সময়ে বছর জুড়ে ফুটে থাকছে। তবে সিজনের ফুলগুলো বেশ আকর্ষনীয় এবং আকারে বেশ বড় হয়। আর সিজন ছাড়া বাকী সময়ে গোলাপ ফুলের সাইজ তুলনামূলক ভাবে ছোট হয়ে থাকে।

গোলাপ চাষে সঠিক পদ্ধতি এবং সঠিক পরিচর্যার ফলেই, বর্তমান সময়ে সারা বছর গোলাপ ফুল ফোটে।

লেখকের শেষ বক্তব্য

টবে গোলাপ ফুলের চাষ পদ্ধতি - গোলাপ ফুল কখন ফোটে সেই সম্পর্কে আজকের এই ব্লগে সকল তথ্য তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। আশা করি টবে গোলাপ ফুলের চাষ পদ্ধতি - গোলাপ ফুল কখন ফোটে সেই সম্পর্কে আপনি বিস্তারিত জানতে পেরেছেন।

এতক্ষণ আমাদের সঙ্গে থাকার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। যদি আপনি এই ধরনের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ব্লগ পোস্ট নিয়মিত পড়তে চান তাহলে আপনাকে প্রতিনিয়ত আমাদের এই ওয়েবসাইট ফলো করতে হবে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন